1. admin@dailyprothomsomoy.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ ৩ জন গ্রেফতার  সাংবাদিক পিনু শিকদারকে নিয়ে ফেক আইডি থেকে অপপ্রচার, থানায় জিডি নিজাম হাজারীর নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক শাহ আলম এখনো প্রকাশ্যে ঘুরছে নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরেই, তবে ২৬’র জুনের পর নয়: প্রধান উপদেষ্টা ছাগলনাইয়ার জয়পুর চ্যাম্পিয়ন শীপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারীরা কেউ টাকা মেরে চলে যায়নি:প্রধান উপদেষ্টা বিসিবির গঠনতন্ত্রে অসঙ্গতি পেয়েছে দুদক ফেনীতে বিজিবি’র হাতে আটক ভুয়া এনএস আই কর্মকর্তা সাবেক এমপি মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার সারাদেশে সব মসজিদে একই সময়ে জুমার নামাজ আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মেঘনা আলমের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া সঠিক হয়নি: আইন উপদেষ্টা ছাগলনাইয়ায় সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ও ছাত্রজনতার আয়োজনে সেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ও ঈদ আড্ডা শেরপুর পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্ত:জেলা চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার সাড়ে ৭ লক্ষ টাকার চোরাই মাল উদ্ধার  সাংবাদিকেরা সমাজের দর্পণ-বিএনপি নেতা আব্দুল মোমিন নাশকতা মামলায় সদ্য ক্ষমতাচ্যুত চেয়ারম্যান আব্দুল মোমিন গ্রেফতার  শেরপুরে নির্বাচনী হামলা ও বিস্ফোরণের মামলায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার শেরপুরে সরকারি সড়ক দখল করে দোকান ভোগান্তিতে পথচারীরা শেরপুরে লক্ষাধিক টাকার সরকারি গাছ কেটে নিয়েছে প্রভাবশালী গোলাপ  শেরপুরে দুর পাল্লার বাসে তল্লাশি, ১৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার দুইজন পরশুরামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের অবস্থান কর্মসূচি

আরপিওর মাধ্যমে আগামীতে হবে ইসিবিহীন প্রহসনের নির্বাচন: ফখরুল / দৈনিক প্রথম সময়

অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেছেন, নির্বাচনী আইন সংশোধনের নামে বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি) বিধ্বস্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও দুর্বল করছে। ২০১৪ সালে ইসি রাজনৈতিক দলবিহীন নির্বাচন, ২০১৮ সালে করেছে ভোটারবিহীন ‘নৈশ’ নির্বাচন। প্রস্তাবিত আরপিওর মাধ্যমে আগামীতে করবে ইসিবিহীন প্রহসনের নির্বাচন।

বৃহস্পতিবার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

নির্বাচনী আইন সংশোধনে কমিশনের উদ্যোগের বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেবেন কি না প্রশ্ন করা হলে মির্জা ফখরুল বলেন, আইনের দ্বারস্থ তখনই হওয়া যাবে, যখন আইন থাকবে দেশে, যখন বিচার পাওয়া যাবে দেশে। আমি কী বিচার পাচ্ছি বিচারালয়গুলোতে ?

‘তাহলে নির্বাচনে যাচ্ছেন কেন’ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী, গণতান্ত্রিক পথেই সরকার পরিবর্তনে আমরা বিশ্বাসী। এটার কারণে আমরা সব নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। নির্বাচনে অংশ নেয়াটা আমাদের আন্দোলনের অংশ, পার্ট অব দ্য মুভমেন্ট’।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘বর্তমানে নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি দেশের মানুষ ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী কোনো রাজনৈতিক দলের ন্যূনতম শ্রদ্ধা কিংবা আস্থা নাই। গত ১০ বছরে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে যারা গলাটিপে হত্যা করেছে কেবল তারা এবং তাদের সহযোগী হিসেবে নির্লজ্জ ভূমিকা রাখা বর্তমান শাসকগোষ্ঠীর বশংবদ ইসিই দায়ী’।

বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, ‘রকিব উদ্দিন কমিশন থেকে শুরু করে গত ১০ বছরে কমিশন নির্বাচন ব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস ও অকার্যকর করে দিয়েছে। সর্বশেষ কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিশন তাদের তিন বছর মেয়াদকালে একটিও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন করতে পারেনি। এই অবস্থায় তারা নির্বাচনী আইন সংশোধনের নামে বিধ্বস্ত নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে আরও দুর্বল করার অপপ্রয়াস করছে’।

রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন আইন-২০২০ প্রণয়ন, নির্বাচনী আইন(আরপিও) সংশোধনী প্রস্তাব এবং স্থানীয় সরকার বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ইসি’র উদ্যোগ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। আরপিও সংশোধনের প্রস্তাবে যেসব বিধান বাদ দেওয়া হয়েছে তার অন্যতম হলো কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা, প্রিসাইডিং অফিসার কর্তৃক ভোটগ্রহণ বন্ধ করা, সর্বোপরি আইনের গুরুতর লঙ্ঘনের জন্য প্রার্থিতা বাতিলের (৯১-ই ধারা) ক্ষমতা রদ। এসব ক্ষমতা রদ করলে কমিশন একটি ঠুঁটো জগন্নাথে পরিণত হবে, যার মাধ্যমে কার স্বার্থ সিদ্ধি হবে তা আমাদের বোধগম্য নয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ইসি সবচেয়ে ভয়ানক অপচেষ্টা হলো আমাদের নির্বাচন ব্যবস্থার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া। তারা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসিকে স্থায়ীভাবে পঙ্গু করার জন্যও যেন উঠে-পড়ে লেগেছে। ভবিষ্যতে একটি ভালো ইসি পাওয়ার পথ রুদ্ধ করতে চায় বর্তমান ইসি’।

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমান আইনে মনোনয়নপত্র বাতিলের এখতিয়ার ইসির। কমিশন এই ক্ষমতা নিজেদের কাছে রাখতে চায় না। ফলে কমিশন বিড়ালে পরিণত হবে- এ মর্মে একজন নির্বাচন কমিশনার মন্তব্য করেছেন। এর সর্বশেষ দৃষ্টান্ত হলো ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষমতা সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব। এটা হলে ভোটার তালিকা তৈরির ক্ষমতা সরকারের কাছে চলে যাবে। ফলে সরকার নিজের ইচ্ছামতো ভোটার তালিকা প্রণয়নের সুযোগ পাবে। সেই তালিকায় প্রকৃত ভোটার নয়, সরকারি দলের পছন্দের লোকজনকে স্থান করে দেওয়া হবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এটা জাতির জন্য একটি অশনি সংকেত ছাড়া কিছুই নয়’।

সমালোচনার মুখে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) নাম পরিবর্তন এবং প্রার্থিতা বাতিলে ইসির ক্ষমতা বাদ দেওয়ার প্রস্তাবনা থেকে পিছু হটার কথা উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তারপরও উদ্বেগ থেকেই যাচ্ছে। কারণ এই কমিশনের কোনো বিশ্বাসযোগ্যতা নাই। তারা কারসাজিতে যুক্ত আছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ আছে। তাদের অতীত কর্মকাণ্ডে বরং এটি স্পষ্ট যে, ইসি সরকারের নীলনকশা বাস্তবায়নেরই তৎপর রয়েছে’।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD