1. admin@dailyprothomsomoy.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ ৩ জন গ্রেফতার  সাংবাদিক পিনু শিকদারকে নিয়ে ফেক আইডি থেকে অপপ্রচার, থানায় জিডি নিজাম হাজারীর নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক শাহ আলম এখনো প্রকাশ্যে ঘুরছে নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরেই, তবে ২৬’র জুনের পর নয়: প্রধান উপদেষ্টা ছাগলনাইয়ার জয়পুর চ্যাম্পিয়ন শীপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারীরা কেউ টাকা মেরে চলে যায়নি:প্রধান উপদেষ্টা বিসিবির গঠনতন্ত্রে অসঙ্গতি পেয়েছে দুদক ফেনীতে বিজিবি’র হাতে আটক ভুয়া এনএস আই কর্মকর্তা সাবেক এমপি মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার সারাদেশে সব মসজিদে একই সময়ে জুমার নামাজ আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মেঘনা আলমের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া সঠিক হয়নি: আইন উপদেষ্টা ছাগলনাইয়ায় সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ও ছাত্রজনতার আয়োজনে সেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ও ঈদ আড্ডা শেরপুর পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্ত:জেলা চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার সাড়ে ৭ লক্ষ টাকার চোরাই মাল উদ্ধার  সাংবাদিকেরা সমাজের দর্পণ-বিএনপি নেতা আব্দুল মোমিন নাশকতা মামলায় সদ্য ক্ষমতাচ্যুত চেয়ারম্যান আব্দুল মোমিন গ্রেফতার  শেরপুরে নির্বাচনী হামলা ও বিস্ফোরণের মামলায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার শেরপুরে সরকারি সড়ক দখল করে দোকান ভোগান্তিতে পথচারীরা শেরপুরে লক্ষাধিক টাকার সরকারি গাছ কেটে নিয়েছে প্রভাবশালী গোলাপ  শেরপুরে দুর পাল্লার বাসে তল্লাশি, ১৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার দুইজন পরশুরামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের অবস্থান কর্মসূচি

ফেনীর রাজবাড়ী সহ স্থানীয় ভুমি অফিস গুলো যেন দূনীর্তির স্বর্গরাজ্য / দৈনিক প্রথম সময়

ফেনী জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশ : রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১

সারা দেশে সহকারী কমিশনার (ভুমি) বা এসিল্যান্ডরা ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ভুমিকায় নানা অপরাধের বিচার কার্য চালিয়ে যাচ্ছেন।ফসলি জমির মাটি কাটা, বাল্য বিবাহ, বে আইনি ইট ভাটাসহ নানা অপরাধের জন্য এ কর্মকতার্রা অনবরতই ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে অপরাধীদের জেল জরিমানা দিয়ে যাচ্ছেন।এতে গন—মানুষের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন এ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগন। অথচ স্বয়ং এ ম্যাজিস্ট্রেটদের অফিসেই চলছে বছরের পর বছর ধরে ঘুষ বাণিজ্যের এক রমরমা ব্যবসা। এ অফিসগুলোতে টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না। প্রতি টেবিলে টাকা দিয়ে ফাইল ছাড়িয়ে নিতে হয়। এদের ঘুষ বাণিজ্য প্রকাশ্য দিবালোকে ওপেন সিক্রেট।এ বে আইনী ঘুষ বাণিজ্য যেন অনেকটা নিয়মে রূপ নিয়েছে।এরা আকারে ইঙ্গিতে বোঝাতে চায় এ ঘুষ বৈধ ও বাধ্যতামূলক।এ যেন অন্যায় কিছু নয়।

সরকার যেখানে জমি জমার নামজারী জমাখারিজের জন্য খরচ ১১৭০/— টাকা এবং সময় ২৮ দিন নির্ধারন করে দিলেও এরা জমা খারিজের খরচ বাবত সাধারন মানুষ থেকে ১৫—২০ হাজার টাকা ও সময় নেন ৩/৪ মাসের কম নয়। তাদের কাঙ্খিত ঘুষ না পাওয়া পর্যন্ত এরা সাধারণ মানুষকে আজ না কাল বলে অহেতুক সময় ক্ষেপণ করে থাকে।ফেনী সদর উপজেলা ভুমি অফিস ফেনী শহরের রাজবাড়ীতে অবস্থিত এখানে ফেনী পৌরসভা ভুমি অফিসও রয়েছে। ফেনী শহর সহ আশ পাশ এলাকার জায়গা জমির দাম আকাশ চুম্বী হওয়ায় এসব জায়গা জমির কাগজপত্র প্রস্তুত করতেও এ রাজবাড়ী ভুমি অফিসকে দিতে হয় মোটা অঙ্ককের টাকা।এবং একই অবস্থা ফেনীর কিছু ইউনিয়নের ভুমি অফিসেও।জমির পরিমান বেশী হলে খতিয়ানে কম দেখানোর হুমকি দিয়েও এরা ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। ভুমি দস্যুরা টাকার বিনিময়ে জাল খতিয়ানসহ নানা জাল কাগজপত্র প্রস্তুত করে নেয় এদের কাছ থেকে।এরা দু’ ধরনের খাজনার রশিদ ব্যাবহার করে থাকে।দু’নাম্বার খাজনার রশিদ দিয়ে ভুক্তভোগীদের থেকে ১০—২০ হাজার টাকা আদায় করে।পরে আসল খাজনার রশিদের মাধ্যমে মাত্র ২/৩শত টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দেয় দূনীর্তিবাজ ভুমি কর্মকতার্রা। বিশ্বস্ত সুত্রে জানা গেছে, দূনীর্তির এই কালো টাকা অনেক উপরে পর্যন্ত যায়। ভুমি অফিসের উমেদার, চেইনম্যান, সার্ভেয়ার, কানুনগো, পিয়ন, কেরানী থেকে শুরু করে উপরের পদের বড় কর্মকতার্রাও এ টাকার হিস্যা নেয়। ফেনী সদর উপজেলা ভুমি অফিসের কর্মকতার্রা তাদের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের মাধ্যমে মানুষের সাথে টাকা লেনদেন করে থাকে।কর্মকতার্রা সরাসরি লোকজনের সাথে কথা বলতে চায় না। এরা নিন্ম শ্রেণীর কর্মচারীদের দিয়ে ভুক্তভোগীদের থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়। এ নিন্ম শ্রেণীর কর্মচারীরা আবার তাদের অনুুুগত দালালের সাথে টাকা লেনদেনের চুক্তিবদ্ধ হয়। এভাবে সুনির্দিষ্ট একটি চেইন মেইনটেইনের মাধ্যমে সিন্ডিকেট সাজিয়ে এরা এসব ঘুষ বাণিজ্যের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।এতে কর্মকতার্রা অর্থ লেনদেনের কথা বেমালুম অস্বীকার করে বসে। কারন অর্থ লেনদেন হয় দালাল অথবা চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের মাধ্যমে। ফেনী জেলার ভুমি অফিস গুলোতে কয়েক হাজার দালাল তৎপর রয়েছে। ফেনীর রাজবাড়ীর ভুমি অফিসে সারাদিনে কমবেশী ৫শত দালালের যাতায়াত রয়েছে এবং যে কোন সময়ে কম বেশী ৫০ জন দালালের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।রাজবাড়ীর ভুমি অফিসে কোন ভুক্তভোগী যাওয়া মাত্রই চেইনম্যান আফছার ও উমেদার ফয়সাল জানতে চায় খাতায় নাম লিখা হয়েছে কিনা।তাদের চাহিদা মতে টাকা দিলেই খাতায় নাম লিখা হয় বলে জানা গেছে। তাছাড়া জেলার সব ভুমি অফিস গুলোতেই সারাদিনই দালালদের ঘুর ঘুর করতে দেখা যায়।এ বিষয়ে ফেনী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ভুঁইয়ার সাথে কথা বললে তিনি বিগত ১ মাস আগে এ অফিসে এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদান করেছেন বলে জানালেন। তাছাড়া তিনি প্রশাসনের প্রয়োজনে সারাদিন ভ্রাম্যমান আদালত নিয়ে ব্যস্ত থাকায় নিজ অফিসের দিকে নজর দিতে পারেননি বলে জানান।এছাড়াও তিনি এসব অভিযোগের বিষয়ে কোন ভুক্তভোগীর অভিযোগ পাননি বলে জানান।এ অফিসের কানুনগো নেপাল চন্দ্র ধর, সার্ভেয়ার সাখাওয়াত হোসেন, চেইনম্যান আফছার, উমেদার ফয়সাল সহ সকল কর্মকতা কর্মচারীদের সাথে কথা বললে তারা এসব অভিযোগ বেমালুম অস্বীকার করেন।
দাগনভুঞা উপজেলাধীন জায়লস্কর ইউনিয়ন ভুমি অফিসের ভুমি সহকারী কর্মকতার দ্বীলিপ কুমার নাথ সহ ওই অফিসের অন্যান্য কর্মচারীদের সাথে কথা বললে তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন।তবে অন্য দিকে ফেনী থানাধীন পাঁচগাছিয়ার মফিজ উদ্দিনের ছেলে আরিফ উদ্দিন, মাষ্টার পাড়ার পরিতোষ মজুমদার, দাগনভুঞার জায়লস্কর ইউনিয়নের ধর্মপুর গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে হারিছ আহাম্মদ, মৃত আবদুল করিমের ছেলে আবদুল মালেক, মৃত বঙ্কিম চন্দ্র নাথের ছেলে সমরেন্দ্র নাথ ওরপে লক্ষণ মাষ্টার সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বহু লোকের সাথে কথা বলে এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD