বিজ্ঞাপন

জনপ্রশাসন পদকে ভূষিত হওয়ায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেনকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কর্মকর্তাবৃন্দ।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে কোম্পানি নিবন্ধনের কাজের জন্য দলগত (কারিগরি) শ্রেণিতে যৌথ মূলধন কোম্পানি বা ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের তৎকালীন নিবন্ধক হিসেবে বর্তমান তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মো. মকবুল হোসেন ও তার দল জনপ্রশাসন পদক-২০২১ লাভ করেন।
উল্লেখ্য সৃজনশীল কাজকে আরও উৎসাহিত করতে ৩২ জন সরকারি কর্মকর্তা (দলগত ক্ষেত্রসহ) ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ২০২১ ও ২০২০ সালের জনপ্রশাসন পদক দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীতদের কাছে পদক তুলে দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।
এ উপলক্ষে বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মিজান উল আলম, খাদিজা বেগম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক আহম্মদ কামরুজ্জামান, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার শাহেনুর মিয়া, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিধান চন্দ্র কর্মকার, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক স. ম. গোলাম কিবরিয়া, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মো. নিজামুল কবির, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত ইয়াসমিন, জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক শাহিন ইসলাম এনডিসি, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. শাহ আলম, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. জসীম উদ্দিন, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আনিসুর রহমান প্রমুখ সচিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
গত ৩১ মে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব গ্রহণকারী বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১০ম ব্যাচের কর্মকর্তা মো. মকবুল হোসেন ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন। সহকারী কমিশনার, প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মাঠ প্রশাসনে দায়িত্ব পালনের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের সদস্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তরের নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।