1. admin@dailyprothomsomoy.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হাদিকে হত‍্যাচেষ্টার প্রতিবাদেব শেরপুরে গণ অধিকার পরিষদের মশাল মিছিল শেরপুরে দইয়ের বাজারে ধস বিপাকে খামারীরা শেরপুরে বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় কোরআন খতম ও গণ দোয়া  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফেনী জেলা যুবদলের উদ্যোগে ফুলগাজীতে স্বেচ্ছাশ্রমে বেগম খালেদা জিয়া সড়ক সংস্কার কাজের উদ্বোধন ছাগলনাইয়া ছাত্রদলের ফ্যাস্টিবল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত ফুলগাজীতে শেখ নুর উল্ল্যাহ চৌধুরী এতিমখানা ও মাদ্রাসায় ফেনী বন্ধুসভার খাবার ও ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ  ছাগলনাইয়ায় নিজপানুয়া যুব সংঘের কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন ও মাদক বিরোধী সমাবেশ হয়েছে ছাগলনাইয়া সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাঝে কলেজ ছাত্রদলের বই উপহার ছাত্রদলের উদ্যোগে ফেনী সরকারী কলেজে উন্মুক্ত লাইব্রেরি উদ্বোধন  ফেনী জেলা সিএনজি মালিক সমিতির আত্মপ্রকাশ  ফেনীর সোনাগাজীর সোনাপুরে প্রবাসীর ঘরে দূর্ধর্ষ চুরি আলহাজ্ব আব্দুল হক চৌধুরী ডিগ্রী কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠান শেরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ ৩ জন গ্রেফতার  সাংবাদিক পিনু শিকদারকে নিয়ে ফেক আইডি থেকে অপপ্রচার, থানায় জিডি নিজাম হাজারীর নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক শাহ আলম এখনো প্রকাশ্যে ঘুরছে নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরেই, তবে ২৬’র জুনের পর নয়: প্রধান উপদেষ্টা ছাগলনাইয়ার জয়পুর চ্যাম্পিয়ন শীপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারীরা কেউ টাকা মেরে চলে যায়নি:প্রধান উপদেষ্টা বিসিবির গঠনতন্ত্রে অসঙ্গতি পেয়েছে দুদক ফেনীতে বিজিবি’র হাতে আটক ভুয়া এনএস আই কর্মকর্তা

আমনে বিপদের হাতছানি অনেক উদ্যোগেও খাদ্যে শঙ্কা

আশরাফুল হক ও শাহেদ আলী ইরশাদ
  • প্রকাশ : রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২

বিপদে ভরসার জায়গা কৃষিকে সংকটের ঊর্ধ্বে রাখতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। এতে সরকারের মনোভাব স্পষ্ট হলেও কৃষি সংকটমুক্ত হতে পারছে না। সার সংকটের সঙ্গে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘায়ের’ মতো যোগ হয়েছে অনাবৃষ্টি। আগে থেকেই আছে উচ্চ দামের শ্রম। এসব মিলে আমন বিপদের হাতছানি দিচ্ছে।

চাল উৎপাদনের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৌসুম হচ্ছে আমন। বছরে সাড়ে ৩ কোটি মেট্রিক টন চালের মধ্যে আমন থেকেই আসে প্রায় ৪৫ শতাংশ। এর একটি ছোট অংশ আউশ থেকে আসে। অনাবৃষ্টির কারণে এ বছর আমন রোপণ ব্যাহত হচ্ছে। জ্বালানি তেলের দাম বেশি, এ কারণে কৃষকরা যে বিদ্যুতের ওপর নির্ভর করবেন সেই ভরসা নেই। গ্রামগঞ্জে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এতে সেচে ভয়াবহ সংকট তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে দেরিতে লাগানো আমনের ক্ষেত অনেক জায়গায় সেচের অভাবে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে। সেজন্য আমন নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে উৎপাদনকারী, ব্যবসায়ী এমনকি সরকারের মধ্যে।

গ্যাস ও জ্বালানি তেলের সংকটের জন্য সরকার গত মাসে চারটি রাষ্ট্রচালিত সার কারখানা বন্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নেওয়া হয় যখন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সরকার সার আমদানিতে ব্যাপক সমস্যার মুখে পড়েছে। এরসঙ্গে যোগ হয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ। যা পেতে সরকার সারের ভর্তুকি কমাতে বাধ্য হয়েছে বিভিন্ন মহলের ধারণা। ভর্তুকি কমাতে কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের দাম ৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধিকে পুঁজি করে কিছু সার ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছেন। এতে বাড়তি দামের সার আরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এই সংকটের পেছনে কয়েকজন সংসদ সদস্যের (এমপি) নামও এসেছে। তারা বিভিন্ন অঞ্চলে সময়মতো সার না পৌঁছানোর ফলে কৃষকরা সার পাচ্ছেন না। দেশের অনেক উপজেলায় সারের জন্য কৃষকরা বিক্ষোভ করেছেন, যানবাহন আটকে প্রতিবাদ করেছেন। ১৯৯৫ সালের পর সার নিয়ে দেশে এত বড় সংকট সৃষ্টি হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন।

এবার আমনে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৫৯ লাখ হেক্টর। গত ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ৪৭ লাখ হেক্টরে আবাদ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭০ শতাংশ। তবে ধান উৎপাদনের মূল অঞ্চল রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ অর্জিত হয়েছে বলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এ মাসের মধ্যে যাতে লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জন করা যায় সে লক্ষ্যে কৃষকদের অনুপ্রাণিত করছেন। কারণ চলতি মাসের পর রোপা আমনে আর ভালো ফলন হবে না।

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক  বলেন, ‘দেশে সারের জোগানের কোনো ঘাটতি নেই। আমরা পর্যাপ্ত সার এনেছি। মজুদ সার দিয়ে আমন তো শেষ হবেই আগামী বোরোতেও কাজে লাগবে। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে সমস্যা কোথায়। সার বিতরণে কিছু সমস্যা হচ্ছে। আমরা অঞ্চলগুলো চিহ্নিত করে কাজ শুরু করেছি। আশা করি সারে আর সমস্যা হবে না।’

এক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমনে সাধারণত সেচের প্রয়োজন হয় না। কিন্তু এবারে অস্বাভাবিক কম বৃষ্টি হচ্ছে। আমি আমার জীবনে দেখিনি শ্রাবণে এত কম বৃষ্টি হতে। কম বৃষ্টির ধারা ভাদ্রেও অব্যাহত রয়েছে। এ কারণেই সেচের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এমনকি কেউ যদি নতুন সংযোগ চায় সেটাও যেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পায় সে ব্যবস্থা করেছি। মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত গ্রামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কিছু ব্যবসায়ী অনেক চতুর। তারা আমনের উৎপাদন কমবে জেনে ইতিমধ্যে চাল মজুদ করছে। সেজন্য বাজারে চালের সরবরাহ কমায় দাম বাড়ছে।

সার ও সেচের সমস্যা সমাধানে সরকার দফায় দফায় বৈঠক করে নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। সবশেষ মন্ত্রিসভা বৈঠকে রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত গ্রামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারের কালোবাজারি ধরতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে জেলা প্রশাসন।

কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম সরকারের উদ্যোগের কথা বলতে গিয়ে  জানান, ‘আমরা গত কয়েকদিন ধরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, বিএডিসি, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেছি। এসব বৈঠক থেকে নানা ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তিনি জানান, সেচের প্রয়োজনে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রয়োজন হলে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা নিশ্চিত করবে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ অন্যরাও এক্ষেত্রে সহযোগিতা করবে। সেচের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের বৃহৎ সেচ প্রকল্পগুলো চালু করেছে। উপজেলা সেচ কমিটিগুলোকে সক্রিয় করা হয়েছে। তারা সভা করে সেচ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। আমনে বাড়তি সেচের জন্য কৃষকদের অতিরিক্ত খরচের বিষয়ে নগদ সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি সরকারের ভাবনায় রয়েছে। বৃষ্টির অভাবে যারা ধানের চারা উৎপাদন করতে পারেনি, তাদের চারা দেওয়া হচ্ছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের কৃষকরা জানিয়েছেন, বৃষ্টির পানির সংকট মেটাতে তাদের নির্ভর করতে হচ্ছে সেচের ওপর। বিগত বছরগুলোতে জমিতে হাঁটু সমান পানি থাকলেও এবার সেচ দিয়েও পানি ধরে রাখা যাচ্ছে না। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সেচপাম্প চালাতে গিয়ে কৃষকরা ব্যয় মেটাতে পারছেন না। পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় আমন ক্ষেত ফেটে চৌচির এবং রোদে পুড়ে ধানের চারা বিবর্ণ হয়ে পড়ছে। এই অবস্থায় ওয়ার্ল্ড এগ্রিকালচারাল প্রোডাকশন্স ডটকমের সূচকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহৎ চাল উৎপাদকের অবস্থানে থাকা বাংলাদেশে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ার আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের জুড়ান মৃধা পাড়ার কৃষক সিরাজুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ায় সেচ দিয়ে আমন চাষ করছেন সবাই। যে কারণে ডিজেলের চাহিদা অনেক বেশি। তেলের পাম্প থেকে সরকার নির্ধারিত ১১২ টাকা লিটারে ডিজেল বিক্রি হয়। তবে পাম্পের অবস্থান আমার বাড়ি থেকে অনেক দূরে এবং নগদ টাকায় ডিজেল কিনতে হয়। অনেক সময় হাতে নগদ টাকা না থাকায় স্থানীয় ডিলারের দোকান থেকে ১১৫ টাকা লিটার ডিজেল কিনতে হয়। ডিলারের কাছে ডিজেল না পেলে খুচরা বিক্রেতার কাছ থেকে ডিজেল কিনতে হয় ১১৮ টাকা লিটার। তারপরও চাহিদামতো ডিজেল পাওয়া যাচ্ছে না।’

রাজবাড়ীর ওই কৃষক আরও বলেন, ইউরিয়া সারের দাম বাড়ানোর আগেও তারা ২০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন। এখন প্রতি কেজির দর ২২ টাকা হওয়ার পর ২৫-২৬ টাকায় কিনতে হচ্ছে। টিএসপি সার কিনতে হয় ২৪-২৫ টাকায়। এমওপি ও ডিএপি সার কিনতে হয় ১৮ থেকে ২০ টাকায়।

গোয়ালন্দ বাজারের একজন সারের ডিলার জানান, ইউরিয়া সারের দাম কেজিপ্রতি ৬ টাকা বাড়ানোর পর ২২ টাকা হয়েছে। এছাড়াও টিএসপি ২২, এমওপি ১৫, ডিএপি ১৬ টাকা কেজি দর আগে থেকেই নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২ থেকে ৫ টাকা বেশি দামে সার বিক্রি করছেন। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ডিলারের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত দামে সার কেনার পর তাদের দোকান পর্যন্ত পৌঁছানোর খরচ আছে। এ কারণে তারা একটু বেশি দামে বিক্রি করেন।

কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার নরপাটি গ্রামের এক কৃষক জানিয়েছেন, সেখানেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ইউরিয়া ও টিএসপি সার। প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের দাম সরকার ২২ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকায়। টিএসপি সারও কেজিপ্রতি ৫-৬ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে।

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার মোক্তারপুর ইউনিয়নেও বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। তাছাড়া এখানে প্রয়োজনমতো সার না পাওয়ার কথা বলছেন স্থানীয় কৃষকরা।

যশোর, নওগাঁ, বগুড়া, ঝিনাইদহ, রংপুর, নেত্রকোনা, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জসহ অধিকাংশ জেলার কৃষকদের দাবি, বিভিন্ন জায়গায় ঘুরেও চাহিদামাফিক সার মিলছে না। যা মিলছে, তা-ও কিনতে হচ্ছে সরকারের নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি দামে। ডিলারদের দাবি, বিএডিসির (বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন সংস্থা) গুদাম থেকেও চাহিদামাফিক সার পাচ্ছেন না। বিশেষ করে এমওপি সার কম দেওয়া হচ্ছে।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বদরুল হাসান বলেন, আমন বৃষ্টিনির্ভর ফসল। এখানে সেচের প্রয়োজন হয় না বললেই চলে। সেই আমনে সেচ দিতে গিয়ে কৃষক যদি বিদ্যুৎ না পায় তাহলে তার প্রভাব উৎপাদনে পড়বেই। তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে একটা ফসলে সমস্যা হলেই জনজীবনে গভীর প্রভাব পড়ে। এক হাওরে ফলন না হলেই আমদানিতে যেতে বাধ্য হয় সরকার। আর আমন তো প্রায় সারা দেশের ফসল। সরকার নানা উদ্যোগ নিচ্ছেÑ দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কী হয়।’

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD