পরশুরামে পারিবারিক কলহে গত বৃহস্পতিবার ১৩ অক্টোবর রাত ১০.৩০ মিনিটের সময় একমাত্র ছেলে ও তার স্ত্রীর বড়ো ভাই সহ বৃদ্ধ বাবা কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। চিথলিয়া ইউনিয়ন ৭ নং ওয়ার্ডের পূর্ব অলকা তাজু কন্ট্রাকটর এর পুরাতন বাড়িতে একমাত্র ছেলে মো ফারুক প্রকাশ রাজীব ( ৩২)ও ফারুকের স্ত্রীর বড়ো ভাই মোঃ আবদুল মজিদ সুমন (৩২) কর্তৃক পারিবারিক কলহ জেরে পিতা আবদুল মোমিনের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছেলে ফারুক প্রকাশ রাজীব ও তাহার স্ত্রী বড়ো ভাই মো আবদুল মজিদ সুমন গাছের লাকড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি মাথায় ও হাতে পায়ে মারাত্মক ভাবে রক্তাক্ত করে।তখন আবদুল মোমিন কাট থেকে মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পরে যায়। তখন ছেলে মোঃ ফারুক রাজিব তার স্ত্রীর বড়ো ভাই সহ জখমি আবদুল মজিদ কে পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে যায়। পরশুরাম হাসপাতালে দায়িত্ব রত ডাক্তার ফেনীতে রেফার করেন। পরবর্তী তারা ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি পরশুরাম উপজেলার চিথলিয়া ইউনিয়নের পূর্ব আলকা গ্রামের তাজু কন্ট্রাকটারের পুরাতন বাড়ীর বাড়ীর বাসিন্দা ছিলেন। ছেলে মোঃ ফারুক পেশায় দলিল লেখক। তিনি পশ্চিম অলকা বাড়ি হলেও বাজারে আসতে খরচ হয় ২০ টাকা। তার পরে-ও দীর্ঘদিন পারিবারিক কোন্দল থাকায় ওমার তার ছেলে মেয়ে নিয়ে পরশুরাম বাসা ভাড়া দিয়ে থাকেন। নাম প্রকাশে অসম্মতি থাকায় অলকা গ্রামের স্থানীয় একজন জানান ওমরের স্ত্রী ও ওমর তার বাবার সাথে মনা মতি হতো না। প্রায় ঝগড়া হতো।ওমর এর আগে বাবার অবাধ্য হয়ে বিয়ে করে। আবার ঐ মেয়ে কে তালাক দিয়ে দেয়।পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ করে তার বাবা বিদেশে পাঠায়। কিন্তু ওমর তিন মাসও থাকে নি। বৃহস্পতিবার রাত ৯ টায় ওমর ও স্ত্রীর বড়ো ভাই সহ নিজ গ্রামে বাড়ি অলকা যায় তখনতার বৃদ্ধ বাবা নামাজ কালাম পড়ে ভাত খেয়ে ঘুমানোর জন্য প্রস্তুত নেয়।তখন কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে বাবা ক্ষুব্ধ হয়ে ত্যাজ্য পুত্র করবে। এছাড়াও নিহত আবদুল মোমিন তার স্ত্রী কে মারধর করতেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় নিজ বাড়ীতে বসতঘরের মধ্যে এ নির্মম ঘটনাটি ঘটেছে। রাত সাড়ে ১২টায় তিনি ফেনী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভর্তির পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে নিহত আবদুল মোমিনের বড়ো মেয়ে পানু আক্তার (৩০) এর দায়েরকৃত এজাহারে প্রেক্ষেতী পরশুরাম মডেল থানার এফআইআর নং -২ ১৪ অক্টোবর রাত ২.৩০ ঘটিকার সময় ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড – ১৮৬০ রুজু করা হয়। পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে তিনটি চৌকচ পুলিশ টিম অভিযান পরিচালনা করে বৃদ্ধের ছেলে মোঃ ফারুক ওরফে রাজিব (৩৫) ও তার শ্যালক আবদুল মজিব ওরফে সুমন (৩২) কে তৎক্ষণিক ভাবে ফেনী হইতে গ্রেপ্তার করা হয়।এবং হত্যা কাজে ব্যবহৃত গাছের লাকড়ি সহ রক্ত মাখা কাপড় চোপড় উদ্ধার পূর্বক জব্দ করা হয়। এব্যাপারে জানতে চাইলে পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সাইফুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেন। লাশ মর্গে রয়েছপ।এবং আটক কৃত আসামিরা শুক্রবার দুপুর গ্রেপ্তারকৃত আসামি দেরকে হাজতে ফেরন করা হয়।