পরশুরাম পৌর এলাকার ৬ নং ওর্য়াডে আল আমিন এতিম খানায় এক শিক্ষার্থী আল আমিন (১২) গত ২৬ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধায় জানালার গ্রীলের সাথে রশি দিয়ে ফাঁস দেয়। । মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বৃন্দ মাগরিবের নামাজ পড়ার জন্য গেলে এই সময় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মাদ্রাসার মোহতামিম মোঃ সোহাগ ফেনীর সময় কে জানান,মৃত্যুর ১০ মিনিট আগে ছেলে তার বাসার থেকে মাদ্রাসায় আসে। তখনও তাকে কান্না করছে মনে হয়েছে। মাগরিবের নামাজের কারণে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারি নি। নামাজের পর ২০ তলায় জানালার পাশে অজ্ঞান অবস্থা দেখে মাদ্রাসা শিক্ষক শহিদুল ইসলাম সহ আমরা পরশুরাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাই।তখন দায়িত্বরত ডাঃ তামান্না ইসলাম মৃত ঘোষণা করেন।ছেলে টি অত্র মাদ্রাসায় তিন বছর আগে ভর্তি হয়েছে। সে হেফজ বিভাগের দেশের বাড়ি ফড়িকছড়ি। কিন্তু বাবা নেই। রেললাইনে পাশে একটি বস্তিতে থাকেন। তার বড়ো ভাই ফার্ণিচার দোকানে হেলপার হিসেবে দৈনিক কাজ করেন।তার বড়ো ভাই বলেন তার দৈনিক বেতন ২০০ টাকা। তাও কাজ থাকলে।
পরশুরাম মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, আসরের পর ছেলে টি বাসায় যায় মা ও বড়ো ভাই য়ের কাছে একটি কুটি কিনে দেয়ার জন্য টাকা চায় কিন্তু কোনো টাকা না পেয়ে সে নিজে মাদ্রাসা ২য় তলায় উঠে মাগরিবের সময় আত্মহত্যা করে। ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়। এব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।