পরশুরামে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন কোন্দলের জের ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। থানায় পাল্টাপাল্টি মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে ৯জন।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় পরশুরাম মডেল থানায় সশরীরে হাজির হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদারের ভাতিজা ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ইয়াছিন শরিফ মজুমদার কে ১নং আসামি করে এজাহারনামীয় ১৩জনকে অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন পরশুরাম পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল।
এসময় মেয়র সাজেল অভিযোগ করেন, গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলায় আহত উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অনাদি রঞ্জন সাহা কে দেখতে হাসপাতালে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কামাল উদ্দিন মজুমদারের লোকজন বাধা সৃস্টি করে তাকে ও তার সাথে থাকা লোকজনের উপর হামলা করে এবং তার কাছে থাকা নগদ ৪৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। মেয়র সাজেল চৌধুরী’র মামলায় অপর গ্রুপের নুরুল ইসলাম (২৫) সিজান নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সূত্রে জানাযায় গত
বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় উপজেলা আওয়ামী কার্যালয়ের সামনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ ঐক্য পরিষদের সহ-সভাপতি অনাদি রঞ্জন সাহাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করছে নিজ দলের প্রতিপক্ষ লোকেরা।
রাতে অনাদি রঞ্জন সাহা বাদী হয়ে এজাহারনামীয় ১৭ জনসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১৫ জনের নামে মামলা দায় করে।
পুলিশ এঘটনায় পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলাম, পৌর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মো ইব্রাহিম, যুবলীগের নেতা মো ইয়াকুব স্থানীয় মিজানুর রহমান চৌধুরী, পৌরসভার কর্মচারী আবদুল মান্নান, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক একরামুল হক পিয়াস সহ আটজন কে গ্রেপ্তার করেছে।
পরশুরাম থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ফেনীর সময় কে জানান, এ ঘটনায় উভয় গ্রুপের ৯জন কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।