যেখানে পানির অভাবে দুই ফসল ফলেনা অনাবাদি থেকে যায় সেখানে এবার জমির মালিকরা জমি খালি না রেখে পরীক্ষামুলকভাবে তরমুজ চাষ করে ভালো ফলন হয়। রমজান মাস এসে যাওয়ায় তরমুজের চাহিদা অনেক বেশি মুল্যও দিগুন থেকে তিন গুন।খামারের মালিক বেলায়েত হোসেন জানায় তার জমিগুলোতে মাত্র একবার ফসল হয়।শুকনো মৌসুমে পানির অভাবে জমিগুলো অনাবাদি পড়ে থাকে।সেজন্য এবার তিনি জমিগুলো অনাবাদি না রেখে পরীক্ষামুলকভাবে তরমুজের চাষ শুরু করেন।তিনি বলেন এবার ২০ একর জমিতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে।আর এতে খরচ হয়েছে প্রায় প্রায় ১৩ লাখ টাকা।আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে ভালো মুল্য পাওয়া যাবে।ধারনা করা হচ্ছে ২০-২২ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হবে।এখানকার উৎপাদিত তরমুজগুলো এলাকার চাহিদা মিটিয়ে ফেনী চট্টগ্রাম কক্সবাজার,চকরিয়া,টেকনাফ ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাচ্ছে। চাষিরা জানান তরমুজ চাষের শুরু থেকে উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে কোন সহযোগীতা পায়নি তারা।যদি উপজেলা থেকে বীজ সার কীটনাশকসহ সকল সহযোগীতা পাওয়া যেত তাহলে ফলন আরো ভালো হত।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাফকাত রিয়াদ জানান ছাগলনাইয়ার শুভপুরের জমির মাটি তরমুজ চাষের জন্য খুবই উপযোগী এবং কৃষকরা ইচ্ছা করলে আরো ভালো ভাবে বড় পরিষরে তরমুজ চাষ করতে পারবে।এক্ষেত্রে সরকারীভাবে সকল সহযোগীতা করা হবে।
ক্রেতা ও স্থানীয়রা জানান পরীক্ষামুলকভাবে এখানে তরমুজ চাষে ভালো সারা পাওয়া গেছে। এখানকার মাটি তরমুজ চাষের জন্য উপযোগী বলেও জানান। তারা বলেন আগামীতে যেন এখানে বানিজ্যিকভাবে ভালো তরমুজ উৎপাদন করা যায় তাহলে একদিকে এলাকার পুষ্টির চাহিদা পুরন হবে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তরমুজ বিক্রি করে ভালো টাকা আয় করা সম্ভব হবে।