পরশুরামে অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবক অন্যতম বৃহৎ সংগঠন কুঁড়ে ঘর ফাউন্ডেশনের উদ্যেগে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার প্রায় প্রথম ধাপে ১৭০ জন রোজাদার পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
সংগঠনের সদস্যরা গতকাল রবিবার (২ এপ্রিল ) পরশুরাম উপজেলায় বিভিন্ন এলাকার ১৭০ পরিবারের মাঝে পরশুরাম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে ইফতার সামগ্রী এ ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এবং যাতায়াত ভাড়ার জন্য নগদ টাকাও কিছু দেয়া হয় । ইফতার সামগ্রী মধ্যে রয়েছে ছোলা,ডাল,তেল,চিনি, পেঁয়াজ, আলু,সেমাই, মুড়ি, এবং খেজুর। মোট ৯ প্রকারের খাওয়ার উপযোগী জিনিস ছিল। নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কুঁড়ে ঘর ফাউন্ডেশনের ইফতার সামগ্রী পেয়ে একজন হত দরিদ্র বলেন গত ৯ দিন এক মোট বুট কিনতে পারিনি। আমি যা পেয়েছি আল্লাহর দরবারে হাজার শুকরিয়া।
কুঁড়ে ঘর ফাউন্ডেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এর নেতৃত্বে সদস্যরা গত কয়েক দিন নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে এ ইফতার সামগ্রী বিতরণের আয়োজন করেন। এখানে সবাই সাওয়াব এর আশায় কাজ করেন। কেউই বেতন ধারি নেই।
কুড়েঁ ঘর ফাউন্ডেশন এর প্রতিষ্ঠাতা তুহিন ফেনীর সময় কে জানান, সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যবদি ১০০ টিরও বেশি সেবামূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। কুঁড়ে ঘর ফাউন্ডেশনের সভাপতি নু মোস্তফা( জীবন) এবং সাধারণ সম্পাদক আরমান আরও জানান,পরশুরাম উপজেলায় অবস্থিত কুড়েঁ ঘর ফাউন্ডেশনের সুভাক্ষাঙিদের সার্বিক সহযোগিতায় প্রতিবছর ন্যায় এ বছরও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
এছাড়া সংগঠনের পক্ষ থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।
কুঁড়ে ঘর ফাউন্ডেশনের সদস্য পরশুরাম মডেল ক্যাডেট মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ বাপ্পি জানান,এ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভিন্ন এতিমখানা, মাদ্রসা, মসজিদ, অসহায় হতদরিদ্রদের শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবাসহ বেশ কিছু মানবিক কাজ করে ব্যাপক প্রশংসীত হয়েছে।
এছাড়াও করোনা পাদুর্ভাবের সময় অসহায় গরীব মানুষের পাশে দাড়াঁন। মানুষের পাশে দাড়িঁয়ে ঘরে ঘরে ত্রান সামগ্রী বিতরণ করেন।
উল্লেখ্য কুড়েঁ ঘর ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনের উপদেষ্টা ও ৩০০ জন্য সদস্য নিয়ে তাদের পথ চলা শুরু মানবিক ও সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছে।
কুঁড়ে ঘর ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা পরশুরাম সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান চৌধুরী আসিফ স্যার জানান কুঁড়ে ঘর ফাউন্ডেশনের সকল সদস্য যেমন শিক্ষিত তেমন মার্জিত।তাদের প্রতিটি কাজেই প্রশংসনীয়।
পরশুরাম মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, উদীয়মান তরুণরা পারে বিশ্ব কে জয় করতে। আমি বাংলাদেশের আরও অনেক থানায় চাকুরী করার সুযোগ হয়েছে। কিন্তু কুঁড়ে ঘর ফাউন্ডেশনের মতো সচছ এবং সাহসী সদস্য আর কোথাও দেখেনি।তারা যে কোনো মানব সেবায় যে কোনো সময় এগিয়ে আসে।রাত দুপুর নেই।