1. admin@dailyprothomsomoy.com : admin :
  2. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ ৩ জন গ্রেফতার  সাংবাদিক পিনু শিকদারকে নিয়ে ফেক আইডি থেকে অপপ্রচার, থানায় জিডি নিজাম হাজারীর নির্বাচনী প্রচারণা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক শাহ আলম এখনো প্রকাশ্যে ঘুরছে নির্বাচন হতে পারে ডিসেম্বরেই, তবে ২৬’র জুনের পর নয়: প্রধান উপদেষ্টা ছাগলনাইয়ার জয়পুর চ্যাম্পিয়ন শীপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের উদ্বোধন ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণকারীরা কেউ টাকা মেরে চলে যায়নি:প্রধান উপদেষ্টা বিসিবির গঠনতন্ত্রে অসঙ্গতি পেয়েছে দুদক ফেনীতে বিজিবি’র হাতে আটক ভুয়া এনএস আই কর্মকর্তা সাবেক এমপি মমতাজ বেগমকে গ্রেপ্তার সারাদেশে সব মসজিদে একই সময়ে জুমার নামাজ আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মেঘনা আলমের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া সঠিক হয়নি: আইন উপদেষ্টা ছাগলনাইয়ায় সম্মিলিত স্বেচ্ছাসেবী ও ছাত্রজনতার আয়োজনে সেচ্ছাসেবী মিলনমেলা ও ঈদ আড্ডা শেরপুর পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্ত:জেলা চোর চক্রের দুই সদস্য গ্রেফতার সাড়ে ৭ লক্ষ টাকার চোরাই মাল উদ্ধার  সাংবাদিকেরা সমাজের দর্পণ-বিএনপি নেতা আব্দুল মোমিন নাশকতা মামলায় সদ্য ক্ষমতাচ্যুত চেয়ারম্যান আব্দুল মোমিন গ্রেফতার  শেরপুরে নির্বাচনী হামলা ও বিস্ফোরণের মামলায় দুই আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার শেরপুরে সরকারি সড়ক দখল করে দোকান ভোগান্তিতে পথচারীরা শেরপুরে লক্ষাধিক টাকার সরকারি গাছ কেটে নিয়েছে প্রভাবশালী গোলাপ  শেরপুরে দুর পাল্লার বাসে তল্লাশি, ১৩০ বোতল ফেন্সিডিলসহ গ্রেফতার দুইজন পরশুরামে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের অবস্থান কর্মসূচি

ছাগলনাইয়ায় শুভপুরে নির্মান শ্রমিক ও এক নারীকে অপহরন মামলায় এক অপহরনকারী গ্রেফতার।

ফেনী প্রতিনিধি
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৩

 ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নে রাপন পল্লী প্রজেক্টের নির্মান শ্রমিক ও এক নারীকে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে।উক্ত ঘটনায় ঐ প্রজেক্টের ঠিকাদার মোঃ মঞ্জিল (৫২) বাদী হয়ে ছাগলনাইয়া থানায়(মামলা নং- ৩১/তাং-১৯-০৩-২৩ খ্রি.) একটি মামলা দায়ের করেন। অপহরনের সাথে জড়িতরা হল শুভপুর ইউনিয়নের দক্ষিন মন্দিয়া গ্রামের হেছাব ভূঁইয়া বাড়ীর মোঃ মোস্তফার ছেলে সালাহ উদ্দীন(২০),ছুনি কাজি বাড়ীর রবিউল হকের ছেলে মোঃ মিলন(২০),ভেন্ডার বাড়ীর জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মোঃ মারুপ(১৯),ইব্রাহীম বাড়ীর জাফর আহাম্মদের ছেলে মোঃ সাব্বির হোসেন (১৭),ফজলুল হক ডাক্তার বাড়ীর তহছিল উদ্দীনের ছেলে দিদারুল ইসলাম(৩৫), হেছাব উদ্দীন ভূ্ইয়া বাড়ীর সাইফুল ইসলামের ছেলে নিলয়(১৭),দক্ষিন বল্লভপুর কাজী বাড়ীর মিনিয়ার ছেলে মোঃ আরাফাত (৩০),জয়পুর গ্রামের দৌলতপুর ভূঁইয়া বাড়ীর বাচ্চু সওদাগরের ছেলে আরঙ্গজেব ও দক্ষিন মন্দিয়া গ্রামের রাবেয়ার বাপের বাড়ীর মৃত হানিফ মিয়ার ছেলে নুর ইসলাম (নুরাইয়া) (৩৫)।মামলার বিবরন সূত্রে ও বাদী জানায় গত ২৮ মার্চ সন্ধ্যা অনুমান সাড়ে ৬ টার দিকে রাপন পল্লী প্রজেক্টের শ্রমিক মোজাম্মেল হোসেন তার নিকটাত্নীয় ফাতেমা আক্তার (১৮)সহ প্রজেক্টে আসার সময় দক্ষিণ মন্দিয়া রাপন পল্লী প্রজেক্টের সামনে কালভার্টের উপর বসে বিশ্রাম নিচ্ছিল।এসময় বিবাদীরাসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৩/৪ জন বিবাদী আমার শ্রমিক মোজাম্মেল হোসেন ও তার আত্নীয় ফাতেমা আক্তার এর পথ রোধ করে অন্যায়ভাবে আটক করে মারধর করতে করতে জনমানবহীন একাধীক স্থানে অপহরন করে নিয়ে যায়।এসময় তারা আমার কর্মরত শ্রমিকরা ও আমার ছেলে মোঃ এয়াছিনকে ও অজ্ঞাত স্থানে অপহরন করে নিয়ে যায়। আমি গোপন সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই এবং আমার অঙ্গীয় শ্রমিক মোঃ রাসেল ডালি ৯৯৯ এ ফোন করলে পুলিশ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমদের উদ্ধার করে এবং জড়িত বিবাদীদের গ্রেফতার করতে অভিযান চালায়। বিবাদীরা ভিকটিমদের একেক সময় একেক স্থানে নিয়ে যায়।পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পূর্বে আমি বিবাদীদের কাছ থেকে ভিকটিমদের নেয়ার জন্য আসলে বিবাদী সালা উদ্দীন, মিলন,দিদারুল, আরাফাত, আওরঙ্গজেবসহ সকল বিবাদীরা ভিকটিমদের থেকে নেয়া সব টাকা নেয়ার পরও আমার নিকট সরাসরি দুই লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করে।আমি তখন অনুনয় বিনয় করে অনুরোধ করলে বিবাদীরা আমাকে দৌড়াইয়া দিয়ে ভিকটিমদের অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে যায়।বিবাদীগন তাদের দাবীকৃত মুক্তিপন না পেয়ে আমার ছেলে মোঃ এয়াছিনসহ অপহরনকৃত ভিকটিমদের হত্যা করার উদ্দেশ্যে তাদের হাতে পায়ে বুকে পিঠেসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারি ভাবে রক্তাক্ত ফুলা জখম করে। পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বধুরগো বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর পৌঁছলে বিবাদীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ভিকটিমদের ফেলে পালিয়ে যায়।পুলিশ ভিকটিমদের ২৯ মার্চ রাতভর অভিযান চালিয়ে রাত অনুমান দুইটার সময় উদ্ধার করে।এসময় বিবাদীরা মোজাম্মেল হোসেন এর ১টি মোবাইল সেট ও মানিব্যাগে থাকা নগদ ১৫ হাজার ৫শত টাকা,ফাতেমা বেগমের ১টি মোবাইল সেট এবং তার ব্যাগে থাকা ৫ হাজার টাকা এবং এয়াছিনের ১ টি মোবাইল সেট এবং মানিব্যাগে থাকা শ্রমিকদের মজুরী প্রদানের জন্য রক্ষিত ৪৬ হাজার ৫ শত টাকা নিয়ে যায়।ভিকটিমদের উদ্ধার করে ছাগলনাইয়া ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করা হয়।

মামলার তদন্তকর্মকর্তা এসআই নাজমুল হোসেন জানান উক্ত ঘটনায় ৯ নং আসামী নুর ইসলাম নুরাইয়াকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।বাকী আসামীদেরকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ
© All rights reserved
Design BY POPULAR HOST BD