হাইওয়ে পুলিশের যেকোনো ধরনের অভিযোগ আপনারা সরাসরি ফোনে আমাকে জানাবেন। তবে অযথা ফোন দিবেন না। আমি আপনাদের প্রয়োজনীয় ফোনের অপেক্ষায় থাকি। আপনারা দেখুন, হাইওয়ে পুলিশ রাস্তায় কোনো টোল নিচ্ছে কি-না। কারও সাথে তাদের কোনো মাসোহাড়া আছে কি-না, যদি এরকম কোনো ঘটনা কারও জানা থাকে, তাহলে আপনারা আমাকে জানাবেন। আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, সুনির্দিষ্ট তথ্য দিলে ওই অফিসারকে প্রথমেই সাসপেন্ড, তারপর ইনকোয়ারি এবং তারপর পানিস্মেন্ট দেওয়া হবে। থ্রি হুইলার চালকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, জরুরী মুহূর্ত ছাড়া আপনারা বিশ্বরোডে উঠবেন না। আশাকরি খুব তাড়াতাড়ি বিশ্বরোড উন্নয়নের কাজ শেষ হবে। এরপর গাড়ির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক রেখে নির্বিঘ্নে গাড়ি চালাবেন। তখন হাইওয়ে পুলিশ কোনো বিরক্ত করবেনা। এছাড়াও ক্যাম্প ইনচার্জকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বিশ্বরোড নিরাপদ ও যানজটমুক্ত রাখতে রাস্তার উপর যেকোনো ধরনের স্থাপনাকারীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিচ্ছি।
বগুড়ার শেরপুর হাইওয়ে পুলিশের আয়োজনে ওপেন হাউস ডে ও পুলিশিং কমিউনিটি সভায় প্রধান অথিতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলছিলেন হাইওয়ে পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে শেরপুর গাড়িদহ হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্প চত্বরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ আব্দুল ওয়াদুদের সভাপতিত্বে ও সার্জেন্ট খায়রুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অথিতির বক্তব্য রাখেন, হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হরমেশ্বর রায়, শেরপর বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম রেজা, শ্রমিক নেত কামাল হোসেন শেখ, লিচুতলা বাইপাস পুলিশিং কমিউনিটির সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক প্রমূখ।
বক্তারা স্বিকার করে বলেন, অন্য যেকোনো ওসির সময়ের চেয়ে বতর্মান সময়ের ওসি আব্দুল ওয়াদুদ সততা ও নিষ্ঠার করে কাজ করে যাচ্ছেন। তাই আগের চেয়ে এখন অনেক শৃংখলা ফিরিয়ে এনেছেন তিনি।
এ সময় থ্রি হুইলার মিনিবাস এবং কাঁচামাল ও মুরগি বহনকারী গাড়ির শতাধিক চালক উপস্থিত ছিলেন,,
এছাড়াও ওই এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।