দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর হামলার দায় স্বীকার করেছেন ইউএনও অফিসের চাকরিচুত্য মালি রবিউল ইসলাম। তিনি একাই হামলা করেছেন বলে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) জানায়।
রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আদালতে রবিউল ইসলাম হামলার ঘটনায় নিজের দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির ওসি ইমাম জাফর।
তিন বলেন, ‘এর আগে আমরা রবিউলকে আটক করে নয় দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেছিলাম। রবিউল রিমান্ডে আমাদের কাছে তার দায় স্বীকার করে। একপর্যায়ে আমরা বিজ্ঞ আদালতে আবেদন দিয়েছিলাম যেন তার স্বীকারোক্তিমূলক বানবন্দি লেখার জন্য। পরে বিজ্ঞ আদালতে রবিউল ইসলাম তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।’
এক প্রশ্নের জবাবে ডিবির ওসি ইমাম জাফর বলেন, ‘হামলার ঘটনায় সে একাই জড়িত ছিল’।
এর বাইরে ডিবির ওসি ইমাম জাফর আর কোনো কথা বলতে রাজি হননি।
রবিবার দিনাজপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালত-৭ এর বিচারক ইসমাইল হোসেনের আদালতে তোলা হয় রবিউলকে। আদালতে তোলার ৩ ঘণ্টা পর বিচারকের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রবিউল। পরে তাকে দিনাজপুর জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্দেহভাজন ও প্রযুক্তির সহায়তার রবিউল ইসলামকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজের দোষ স্বীকার করেন।