
জন্মদিন মানেই সবার কাছে বিশেষ একটা দিন। স্বীকার করি আর না করি এই দিন প্রায় সবাই চায় প্রিয়জনদের শুভেচ্ছা, ভালোবাসা আর আন্তরিকতা। আর জন্মদিনকে ঘিরে শৈশব থেকেই আমার উৎসাহ-উদ্দীপনার শেষ নেই। হোক সেটা নিজের কিংবা অন্যজনের। জন্মদিন শব্দটিই অনেক বেশি প্রিয়।শৈশবে সব শিশুর জন্মদিন পালন হতো খুব ঘটা করে। সারা ঘর রং বেরঙের বেলুন আর রঙিন কাগজ কেটে নকশা করে দেয়ালে লাগিয়ে সাজানো হতো। মাখায় পরতাম পেখম বিশিষ্ট মুকুট। তখন নিজেকে রাজকুমারী মনে হতো। বাবা-মার মাঝে দাঁড়িয়ে ঘর ভর্তি মানুষের জন্মদিনের গানের তালে কেক কাটতাম। ভীষণ আনন্দ হতো তখন। মনে হতো এই দিনটি শুধুই আমার। আর এমন একটা চমৎকার দিন উপহার দেওয়ার জন্য বাবা-মার কাছে কৃতজ্ঞ থাকতো ছেলে মেয়েরা। শৈশব পেরিয়ে যখন কৈশোরে পা দিতেন তখন জন্মদিনের আয়োজন হতো ঘরোয়াভাবে। এর কোনটার কমতি ছিল না রূমানা চৌধুরী শিশু আশ্রমের সকল শিশুদের জন্য যৌথভাবে জন্মদিনের এর শিশুদের বেলায়ও।

সমাজে বিত্তশালী মানুষ যেমন আছে, তেমনি আছে অসহায় ও দুস্থ মানুষ। ওই সকল অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে বিত্তশালী হওয়ার প্রয়োজন নেই। ইচ্ছাশক্তির জোরেই তাদের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। ঠিক তেমনই কিছু সুবিধাবঞ্চিত এতিম শিশুর মুখে হাসি ফোটাতে তাদেরকে সঙ্গে নিয়ে জমিলা হক ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা জনাব এনামুল হক চৌধুরী সুযোগ্য সন্তান, জমিলা হক ট্রাস্টের সভাপতি এমদাদুল হক চৌধুরী রূমানা চৌধুরী শিশু আশ্রমের সকল শিশুদের জন্য যৌথভাবে জন্মদিনের উৎসবের আয়োজন করেছেন। ১৩ মার্চ সন্ধ্যা রূমানা চৌধুরী শিশু আশ্রমের হলরুমে জন্মদিনের আয়োজন করা হয়েছে।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন জমিলা হক ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা এনামুল হক চৌধুরী ছোট ভাই আজিজুল হক চৌধুরী , ছাগলনাইয়া উপজেলার নিবার্হী কর্মকর্তা সাজিয়া তাহের, জমিলা ট্রাস্টের অফিসার ইনচার্জ জাফর হোসেন মজুমদার,৫নং মহামায়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জনাব গরীব শাহ হোসেন বাদশা চৌধুরী। জমিলা হক চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রত্না চক্রবর্তী, রুমানা চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সালমা আক্তার। এছাড়াও স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।