নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর বেশ কিছুদিন যাবত আওয়ার নারায়ণগঞ্জ নামের একটি নিউজ পোর্টাল এর আবিস্কার অনেকেই জানেন না এটা কি নিউজ পোর্টাল নাকি ফেইসবুক পেইজ।প্রকাশক, সম্পাদক, রিপোর্টার,বা সাংবাদিক যাই বলেন একাই সব। গেল ঈদে আওয়ার নারায়ণগঞ্জ নামে একটি পত্রিকা ও প্রিন্ট করেছেন তিনি যে পত্রিকাটির মধ্য কোন নিউজ নেই। অতএব শতাধিক নেতাকর্মীর ঈদ শুভেচ্ছা। জয়েন স্টোক বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় খোঁজ নিয়ে জানা যায় আওয়ার নারায়ণগঞ্জ নামের কোন পত্রিকার অনুমোদন দেওয়া হয়নি। কিন্তু ঈদের দিন সহ বিশেষ দিনগুলিতে পত্রিকা ছাপিয়ে শতাধিক নেতাকর্মীর শুভেচ্ছা বাণী নাম করে ভদ্র স্টাইলে করছে চাঁদাবাজি। মহান পেশার পরিচয়দানকারী ব্যক্তিটির নাম মুন্না। অনেকেই বলে সাংবাদিক মুন্না, অনেকেই বলে তাবিজ মুন্না, আবার অনেকেই বলে চাঁদাবাজ মুন্না। খোঁজ নিয়ে জানা যায় সে লেখাপড়া অষ্টম শ্রেণী পাস কুতুবপুর এর প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় ঘুরে জানা যায় সাধারণ মানুষদেরকে জিম্মি করে হরহামেশাই চালিয়ে যাচ্ছে তার চাঁদাবাজি মুন্না মাদ্রাসায় লেখাপড়া করেছে ঐ সময়ে সে বিভিন্ন রোগের তাবিজ বিক্রি করত।এবং তার বাবা একজন রিকশাচালক তৎকালীন সময়ে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক সাংবাদিকের সাথে পরিচয় হয় মুন্নার কয়েকদিন তার সাথে থাকার পর সে নিজেই হয়ে যায় সাংবাদিক। বাবা রিক্সা চালক ছেলে প্যাসেঞ্জার হয়ে সারাদিন ঘুরে বেড়াতো আর নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিতে লাগলো। একসময় মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে আঁতাত করে নিজেই জড়িয়ে ব্যাবসায় পরে তখন একটি ছেলের সহ তার স্ত্রী তাকে ফেলে চলে যায় । এবং ফতুল্লায় সাংবাদিকদের সাক্ষাতকারে তারই স্ত্রী তার মাদকব্যবসা সহ সকল কুকর্মের কথা প্রকাশ করে তার স্ত্রী নিজেই এমনকি তার স্ত্রী তাকে তালাক প্রদান করে চলে যায়। পরে সে আরেকটি বিয়ে করে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৎকালীন সময়ে নারায়ণগঞ্জ এর সকল পত্রিকা অনলাইনমিডিয়া গুলো তাকে বয়কট করে।তারপর সে নিজেই হয়ে যায় সম্পাদক আওয়ার নারায়ণগঞ্জ নামে একটি অনলাইন পোর্টাল কিংবা ফেসবুক পেইজ খুলেকত পড়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে চালিয়ে যাচ্ছে তার চাঁদাবাজি। এই চাঁদাবাজির হাত থেকে মুক্তি চাই কুতুবপুর এর সাধারন মানুষ এবং তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। প্রতারক ও ভুয়া সাংবাদিক মামুনুর রশিদ মুন্নার বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগের পাহাড় বিভিন্ন দোকান থেকে বিভিন্ন সময়ে বাজার-সদাই ক্রয় করে।টাকা চাইলেই দোকানদারদের কে পুলিশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন রকমের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করত । সাধারন মানুষ অচিরেই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছে এই বিষয়ে ফতুল্লা থানায় অভিযোগ ও করেছেন ।