বগুড়ার শেরপুরে শাকিল হোসেন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণীর এক ছাত্রী (১৩) কে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ধর্ষক শাকিল হোসেন (২৬) উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের মো, হাকিম ফকিরের বিবাহিত ছেলে এবং সে মাদক কারবারি বলে জানিয়েছেন ভূক্তভোগী পরিবার।
এ ঘটনায় শেরপুর থানায় ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ মামলা রুজ্জু করেছেন ভূক্তভোগী পরিবারটি।
পরিবার সূত্রে আরও জানা যায়, ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণীতে পড়ালেখা করে।
গত (২৩ এপ্রিল) প্রচন্ড তাপপ্রবাহের কারণে সন্ধ্যার পর বাড়ির ভিতরে ঘরের দরজা খোলা রেখে ঘুমিয়েছিল ওই ছাত্রী। এই সুযোগে ধর্ষক শাকিল কৌশলে বাড়িতে ঢুকে ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ছাত্রীটির চিৎকারে আশপাশের লোক এগিয়ে এলে শাকিল দ্রুত পালিয়ে যায়।
ছাত্রীর চাচা বলেন, শাকিল এলাকার সন্ত্রাসী প্রকৃতির যুবক। এলাকায় মাদকদ্রব্য বিক্রির সাথেও সে জড়িত। এর ভয়ে গ্রামের অনেকেই কথা বলার সাহস পায় না। সে তার ভাতিজিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে তার ভাতিজি একথা তাদেরকে জানিয়েছে।
এ ঘটনা শাকিলের পরিবারকে জানানো হলে তারা উপযুক্ত বিচার করে দেওয়ার আশ্বাস দেয়। কিন্তু আশ্বাস দিয়েও তারা কথা রাখেনি। এজন্য সোমবার (৬ মে) বিচার চেয়ে থানা পুলিশের কাছে আশ্রয় নিয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হোসেন আলী বলেন, ওই যুবক ধর্ষণ ঘটানোর পরেই পালিয়েছে। এদিকে ছাত্রীরটির ধর্ষণজনিত পরীক্ষার জন্য মঙ্গলবার (৭ মে) বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জানতে চাইলে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, শাকিলের বিরুদ্ধে ৯(১) ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।