মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করলেও আধুনিকতার ছোঁয়া পায়নি দক্ষিন কাউতলী গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। এ রাস্তাটি দিয়ে কাউতলী গ্রামের ২০ হাজার মানুষের প্রতিনিয়ত চলাচল করতে হয়। বর্ষা শুরু হলে যান বাহন চলাচল করলে সাধারণ মানুষ রাস্তা দিয়ে হাঁটতে পারে না। হাটতে গেলে পা পিছলে পড়ে যায়।
ফেনীর পরশুরাম উপজেলার ১নং মির্জানগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড দক্ষিণ কাউতলী গ্রামের রাস্তার বেহাল দশা। গত দুই তিন দিনের ভারী বর্ষণে চলাফেরা করার অযোগ্য হয়ে পড়ে এ রাস্তাটি। বর্ষাকাল আসতে না আসতে চলাফেরা বন্ধ হয়ে যায় কাউতলী গ্রামের বাসিন্দাদের । এটি একমাত্র চলাচলের রাস্তা হলেও কাঁচা থাকার কারণে বর্ষার মৌসুমে বৃষ্টিপাত হলে রাস্তার মধ্যে কাদা জমে চলার অযোগ্য হয়ে যায়। স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের বিদ্যালয় যেতে অসুবিধা হয়। কাদার মধ্যে রাস্তাতে চলাফেরা করা সম্ভব হয় না। এই রাস্তাটা দক্ষিণ কাউতলী গ্রামের মাঝখানে থাকায় দুই পাশের মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায় যে এটি দীর্ঘ ২৮ বছর আগের রাস্তা যা সম্পূর্ণ কাঁচা রাস্তা। স্থানীয়দের দাবি রাস্তাটি ফাঁকা করে দিলে গ্রামের মানুষদের চলাফেরা স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের চলাফেরা করতে আর অসুবিধায় পড়তে হবে না।
এটি দক্ষিণ কাউতলী গ্রাম থেকে পরশুরাম বাজারে আসার একমাত্র রাস্তা। এ রাস্তা দিয়ে দুইটি গ্রামের মানুষ চলাচল করে। পরশুরাম উপজেলার ১নং মির্জানগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড দক্ষিণ কাউতলীতে বৃষ্টি শুরু হলেই এই রাস্তায় চলাচল করা যায় না।
মির্জানগর ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ফজলুর বারী মনসুর দৈনিক ডিজিটাল সময় কে বলেন আমার ওয়ার্ডে বেশিরভাগ রাস্তায় এখনো কাঁচা রাস্তা তিনটি রাস্তার মধ্যে শুধু একটি রাস্তা ফাঁকা করা হয়েছে। বাকি দুইটি রাস্তায় এখনো কাঁচা। বর্ষার মৌসুম আসলে এই রাস্তাগুলোর মধ্যে মানুষের চলাফেরা করতে অনেক সমস্যা হয়। আমি আমাদের মির্জানগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান ভুট্টু কে এ বিষয়ে অবগত করেছি তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন রাস্তাগুলো পাকা করে দিবে।