ফেনী শহরের মহিপালে শাহীন হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের সামনে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপরই বুদবুদ করে গ্যাস লাইন লিকেজের স্থান পরিদর্শনে এসেছেন ফেনী জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুজ্জামান। আজ শনিবার বেলা ১২ টার দিকে তিনি পরিদর্শনে এসে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন। এর আগে সকাল ১০ টার দিকে বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার শংকর মজুমদার পরিদর্শন করেন। এসময় মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিযারিং সার্ভিস) আবুল বাশার, নোয়াখালী আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক (বিক্রয়) মো. সোলায়মান, উপ-মহাব্যবস্থাপক (ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিস) সাগির আহমেদ, ফেনী এরিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক মো. সাহাবুদ্দিন, সহকারি প্রকৌশলী কামরুল হাসান ও নুরুল করিম, লক্ষ্মীপুর এরিয়া অফিসের সহকারি প্রকৌশলী বোরহান উদ্দিন প্রমুখ তার সাথে ছিলেন। বাখরাবাদের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি পরিদর্শন শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

গতকাল শুক্রবার সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী সড়কের শাহীন হোটেলের সামনের ওই স্থানে বেশ কয়েকমাস ধরে বুদবুদ করে অনবরত গ্যাস বের হচ্ছে। ওই সড়কে হাঁটলে গ্যাসের গন্ধ নাকে লাগে। কখনো কখনো আগুনও ধরে যায়। বাখরাবাদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিষয়টি নজরে এলে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে তাদেরকে অবহিত করা হয়। এরপর গত ২৬ জুলাই গ্যাসের লিকেজ লাইনের সংস্কার করতে সড়ক ও জনপদ বিভাগকে লিখিতভাবে জানানো হয়। এর প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বাখরাবাদের নোয়াখালী অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক সাগির আহমেদ এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান উদ্দিন আহমেদ সহ উভয় বিভাগের কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। গতকাল শুক্রবার বাখরাবাদের সহকারি প্রকৌশলী কামরুল হাসান টেকনেশিয়ানদের নিয়ে ছুটে যান। সেখানে ১০ বস্তা পরিমাণ বালু ফেলা হয়। বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার শংকর মজুমদার সাংবাদিকদের জানান, বিষয়টি জেনে সওজ কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে। এটি জাতীয় মহাসড়ক হওয়ায় সওজ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও সহযোগিতার বিষয় রয়েছে। তাদের কাছ থেকে সাড়া পেলে ব্যবস্থা নিতে পারবো। আশা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটির সমাধান হবে। গ্যাস লাইন নির্মাণের সময় নিম্নমানের কাজ হয়েছে কিনা খতিয়ে দেখা হবে বলেও উল্লেখ করেন