বগুড়া শেরপুরে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১০টাকা কেজি দরের ২৭৯ বস্তা চাল উদ্ধার ও গোলাম মোস্তফা নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত গোলাম মোস্তফা উপজেলার খানপুর গ্রামের মৃত আতাহার আলী মুন্সির ছেলে। এঘটনায় গ্রেফতার গোলাম মোস্তফাসহ পাঁচজন নামীয় ও আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত করে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (১) ধারার অপরাধে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
অপর অভিযুক্তরা হলো, ঝাঁজর গ্রামের মৃত হায়দার আলীর ছেলে শাহজামাল স্বপন (৪৫) শালফা গ্রামের হযরত আলী কবিরাজের ছেলে নজরুল ইসলাম (৪২) মাগুড়ারতাইর গ্রামের মৃত আলিমুদ্দিনের ছেলে আব্দুর রহমান (৫০) ও চন্ডিজান গ্রামের মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে আব্দুর গফুর ওরফে বাবু (৩৮) বলে জানাগেছে।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত্রি পৌনে ২টায় উপজেলার খামারকান্দি ইউনিয়ের মাগুড়ারতাইর এলাকায় সড়কের উপর থেকে এই চালগুলো জব্দ করা হয়। চালের প্রতিটি বস্তার গায়ে লেখা আছে শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুদা হবে নিরুদ্দেশ, খাদ্য অধিদপ্তর নেট ওজন ৩০ কেজি।
জব্দ করা চাল শেরপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।
জানা যায় ঐ চাল নসিমন গাড়িতে করে শেরপুর শহরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
স্থানীয় লোকজন গভীর রাতে নসিমন গাড়িতে চালের বস্তা দেখতে পেয়ে ৯৯৯ ফোনের মাধ্যমে শেরপুর থানা পুলিশকে জানায়।
খবর পেয়ে এসআই (নিঃ) মোঃ শাহাদত হোসেন এএসআই (নিঃ) মোঃ হাবিবুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে চালগুলো জব্দ করে থানায় নিয়ে আসে। মামলা সূত্রে জানাগেছে, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন যাবৎ পরষ্পর যোগসাজসে সরকারের স্বল্প মূল্যের হত দরিদ্র খাদ্য বান্ধব রেশন কার্ডের চাউল হত দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ না করে অন্যায়ভাবে চাউল মজুদ করে কালো বাজারের মাধ্যমে ক্রয় বিক্রয় করে আসছিল।
এই ঘটনায় পুলিশে গ্রেপ্তার হওয়া গোলাম মোস্তফা নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করেছে।
এ নিয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার জানান, এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার দুপুরে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলায় আসামি করা হয়েছে গোলাম মোস্তফাসহ পাঁচজনকে। গোলাম মোস্তফাকে গতকাল শুক্রবার বিকাল চারটায় আদালতের মাধ্যমে বগুড়ার কারাগারে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।