বগুড়ার শেরপুরে প্রথম শ্রেণির এক শিশু ছাত্রীকে (৯) ধর্ষণ চেষ্টার মামলায় আল আমিন হোসেন (৩২) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে শেরপুর থানা পুলিশ। বুধবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ১২ টার দিকে উপজেলার মির্জাপুর এলাকার রানীর হাট মোড়ের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আল আমিন হোসেন (৩২) ধুনট উপজেলার এলাঙ্গী পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল বারিকের ছেলে বলে জানাগেছে। তিনি শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর এলাকার রানীর হাট মোড়ের একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মোঃ আল আমিন হোসেন পেশায় একজন ভাংড়ির ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীক সূত্রে তিনি মির্জাপুর এলাকার রানীর হাট মোড়ে জনৈক আবু সাঈদের বাসায় ভাড়া থাকতেন। বুধবার দুপুরে শিশুটি তার বাড়ির সামনে একটি মুদির দোকানে যায়। এসময় আল আমিন তাকে একটি আইক্রীম কিনে দেন। সাথে একটি বিশ টাকার নোট হাতে দিয়ে তাকে প্রলোভন দেখিয়ে পাশের একটি কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি নাজমা বেগম নামের এক মহিলা দেখে ফেললে আল আমিন দৌড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনার দিন রাতেই শিশুটির মা শেরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ তা মামলা হিসেবে গ্রহণ করে।
এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উপপরিদর্শক রয়েল হোসেন বলেন, মামলা রজু হওয়ার সাথে সাথেই আসামীকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান পরিচালনা করা হয়। রাত আনুমানিক ১২ টার দিকে তাকে তার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার সকলে শিশুটিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে আসামী আল আমিনকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবু কুমার সাহা।