জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবিতে সারা দেশে জেলায় জেলায় শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোন কোন জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ করলেও মিছিল করতে দেয়নি পুলিশ। কোথাও কোথাও বাধার সম্মুখীন হয়েছে জেলা নেতৃবৃন্দ।
বিক্ষোভ সমাবেশগুলোতে নেতৃবৃন্দ বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত চরম অমানবিক ও গণবিরোধী। এ সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে। অন্যথায় সারা দেশে জনতার রুদ্ররোষ সৃষ্টি হয়ে সরকারের করুণ পরিণতি বরণ করতে হবে।
জেলা নেতৃবৃন্দ বলেন, সামগ্রিক বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলবে। সরকার ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন, পেট্রোলের দাম যে মাত্রায় বৃদ্ধি করেছে, তা নিয়ে দেশবাসী উদ্বিগ্ন। কোভিড-পরবর্তীতে মানুষ অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধির ফলে ভোগ্যপণ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম আরেক দফা বৃদ্ধি পাবে। ফলশ্রুতিতে জনদুর্ভোগ বেড়ে যাবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতিধারা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে তেল-গ্যাসসহ সব ধরনের জ্বালানি সহনীয় পর্যায়ে রাখতে হবে।
চাঁদপুরে ইসলামী আন্দোলনের বিক্ষোভ সমাবেশে সিনিয়র নায়েবে আমীর সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেন, সরকার অন্তিম শয্যায় অবস্থায় থাকার পরও জনগণের পক্ষ কাজ করতে পারছে না। সরকার গত ৭ বছরে ৪৩ হাজার কোটি টাকা লাভ করার পরও জনগণের স্বার্থে কাজ করতে পারছে না। সরকার সেবার মানসিকতা বাদ দিয়ে ব্যবসায়ী মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তেলের দাম ১ লাখ টাকা লিটার হলেও সরকার দলীয় লোকজনের কোন সমস্যা নেই। কেননা তারা দুর্নীতি করে প্রচুর টাকা কামিয়েছে। কিন্তু জনগণের আয় বাড়েনি, সমস্যার সমাধান হয়নি।